ইলামবিলের উপাখ্যান : টি এম কায়সার

ছবি: এ আই

 

বেশ কিছু বছর আগে, প্রায় আলাভোলা শৈশবে বিল ও হাওরের  কিছু অলৌকিক স্মৃতি মাথায় রেখে একখানা সিনেমার চিত্রনাট্য লিখেছিলাম! লিখেছিলাম – যতটা না লেখার তাগিদে, তার চেয়ে বরং নিজের মাথা খারাপ করে দেয়া সব স্মৃতির ভার থেকে মুক্ত হতে!  কিন্তু মুক্তি  – এ তো এক  জটিল কূটাভাস – মুক্তির নেশায় মানুষ যত বিচিত্র পথে হাঁটতে শুরু করে, ততই বরং আষ্টেপৃষ্ঠে জড়িয়ে পড়ে আরো; আরো গভীরভাবে!
বাড়ির পূবে, ‘পূবের বন্দে’ আমাদের বিল – নানা উপকথা শুনে শুনে বড় হয়েছি এ নিয়ে। ‘বিলডাকিনী’ ‘ঘোড়াখানি দেও’য়ের অভূতপূর্ব সব কিসসা – অমাবস্যা পুর্ণিমা রাতে সাঁই সাঁই শব্দ তুলে, অলৌকিক ঘুঙুরের শব্দ ছড়িয়ে সারা বিলে – কখনো হাওয়ায় ভর করে আবার কখনো বিলের জলে সপসপ শব্দ তুলে ছুটে বেড়ায় এক প্রকাণ্ড ঘোড়া – ঘোড়খানি দেও! সে যখন হাঁপায়, আগুনের হলকা বেরোয়, সে যখন জলের উপর দিয়ে হাঁটে তাতেও আগুনের ফুলকি জ্বলে! বড় হয়ে এক অমাবস্যার রাতে এই বিলের পাশ দিয়ে ফেরার পথে ঘোড়াখানি দেওয়ের সাঁই সাঁই ছুটে যাওয়ার শব্দ শুনতে পেয়েছি স্পষ্ট, দূরে, কালাচান্দতলার দিকে – একটা বিশাল একা গাছ, বাগইনবাজার থেকেও যে গাছের মগডাল স্পষ্ট নজরে আসে – তার নিচে! কিন্তু এর মগডালেও নাকি বাস করে এক পরী – কেউ কেউ প্রেতিনী বলেও জানে-   গভীর রাতে নাকি সে নারীবেশে ডালে ডালে উলঙ্গ নৃত্য করে, শাদা শাড়ি পরে!

এসব গল্প তৈরি ও পরিপুষ্ট হয়েছে ধীরে বিলের জলে ও কাদায় – ভাবি, কবে থেকে এই গল্পগুলো হারাতে শুরু করলো? তারাশঙ্করের ‘হাঁসুলী বাঁকের উপকথা’র মতো যখন বিলের মাঝখান দিয়ে  বিদ্যুৎ-বাতির খুঁটি উঠলো জল সেচে ও কাদা খনন করে, তখন থেকে? গ্রামবাসী, রাত্রি গভীর হলে নাকি শুনতে পেত – ব্যখ্যাতীত কিছু  শব্দ ঘুরপাক খাচ্ছে বিলের আশেপাশে, কিছু মর্মন্তুদ হাহাকারও! ঘোড়াখানি দেও কি তার অবাধ ছুটে বেড়ানোর পথে সহসাই ঠেশ খায় এসব বিদ্যুৎ-খুঁটির সঙ্গে? আর তাতেই মাতম ওঠে বিল জুড়ে? এই হাহাকার তো, মাঝে মাঝে মনে হয়, আমি নিজেও বয়ে বেড়াচ্ছি সেই উঠতি কৈশোর থেকে – ঐ  যেদিন গ্রামের প্রাচীন বটগাছের নিচে গামছা পরা পথিক এসে থামলো, গান করলো, কিশোরেরা স্কুল থেকে ফেরার পথে পথিককে নিয়ে ভীড় করলো, কেউ একজন জিজ্ঞেসও করল, ‘কোত্থেকে এসেছেন গো?’

‘দক্ষিণের দেশ’ বিড়বিড়ের মতই শোনালো!
যান কই?
উত্তরে! পাহাড়ে!

ভেবেছি, দিকে দিকে কী অনায়াসে মানুষ নিরুদ্দিষ্ট হচ্ছে, সঙ্গে সঙ্গে তাদের এই কথা বা উপকথাও! মর্মে মর্মে তখন টের পাচ্ছি কিছু একটা ভাঙছে কোথাও  সবার অলক্ষ্যে; কিছু একটা হারাতে বসেছি, কিছু একটা বিলুপ্ত হচ্ছে চিরতরে! এ এক মর্মযাতনা, এ এক বিলাপ বুকে গুমরে ওঠে প্রতিনিয়ত!

তবে দেখো, কত শত শত  গ্রাম পথ ও বন-বনান্তর মিশে আছে এই ‘দক্ষিণের দেশে’তে আবার কত শত শত গ্রাম পাহাড় মিশে আছে এই ‘উত্তরে’ ‘পাহাড়ে’ – কোনো নির্দিষ্ট গ্রাম নয়, গঞ্জ নয় কোনো গন্তব্যও নয় – কী বিপুল ছিলো এই ছোট ছোট গ্রাম শহরের গন্ডী পেরিয়ে মানুষের এই  পরিব্রাজন, মানুষের এই নেশাতুর খোঁজ!

ভাবি, ঐ পথিক ঐ যে উত্তরে হিমালয়ের পথে  হাঁটতে শুরু করেছিলো একদিন, সে কি খোঁজ পেয়েছে যার বা যে সন্ধানে সে পথে নেমেছিলো? এরপরে কোনোদিন ফিরে গেছে দক্ষিণে, দক্ষিণের দেশে? ফেরার পথে গ্রামে প্রাচীন বটগাছের নিচে থেমে গান করেছিলো? কিশোরেরা জটলা করেছে এমন উদ্ভ্রান্ত আগন্তুককে ঘিরে?

কী আশ্চর্য এক জনপদ যে একে একে সকলেই নিরুদ্দিষ্ট হয়, যাদের দেখেছি খানিকটা নিজের দিকে ঝুঁকে ঝুঁকে কিছু একটা হাতড়ে বেড়াচ্ছে বিলপারে, বিলের মাঝখানে, বটগাছের ছায়ায় ! সব গল্প উপকথার মতই – যাচ্ছি বলে পথিকেরা এই ইলাম বিলের মাঝখান দিয়ে গেছে, জিরিয়েছে মোকামবাড়ির প্রাচীন বটগাছের নিচে, কিন্তু চিরতরেই হারিয়ে গেছে এসব কথা-উপকথা সঙ্গে করে নিয়ে, কালে কালে নতুন সব গল্প এসে ঢেকে দিয়েছে ঘোড়াখানি দেও, কালাচান্দতলার উপখ্যান! শুধু পুরনো দিনের মানুষেরা কান পাতুক বা না পাতুক গভীর রাতে নাকি মাঝে মাঝেই শুনতে পায় মর্মন্তুদ সব হাহাকার ; যেন ঘোড়াখানি দেও তার  অবাধ ছোটার পথে ঠেশ খেয়েছে বিলের মাঝখান চিরে সরলরেখার মতই যাওয়া বিদ্যুতের লাইনে, কোনো খোটার সঙ্গে হয়ত! সারা গ্রাম নাকি তখন জোরে  কাঁপতে শুরু করে যেন ভূমিকম্প এসেছে জনপদ জুড়ে!  ভোরে যথারীতি বিস্মরণ পায়, পিচঢালা পথে শুরু হয় মানুষের  নতুন নতুন সূচনা!

কিন্তু আমিও তো প্রাণপণে  নিরুদ্দিষ্টই হতে চেয়েছি। এই পিচঢালা পথগুলো তো অভিশপ্ত, তোমাকে বারবারই কোনো গন্তব্যের দিকে নিয়ে যাবে! মকসুদে মঞ্জিলে পৌঁছানোর জন্যে তোমাকে কোনো মঞ্জিল স্থির করা ছাড়াই নেমে পড়তে হবে, নিরুদ্দেশেই লুকিয়ে আছে ঐ দেশ ঐ সহস্র নদী আর অসংখ্য নরম রোদের স্বর্গ, “নিরুদ্দেশেই থাকে নিরঞ্জন” – কে যেন বলেছিলেন এই কথা! শৈশবের ঐ কাঁধে তল্পি ঝোলানো খালি গায়ের সেই আশ্চর্য  মজজুব? যিনি স্কুলের পাশে শিউলি গাছের নিচে ফুল কুড়াতে দেখে আমার দিকে পিচুটি পড়া অথচ  কী অন্তর্ভেদী চোখে  তাকিয়েছিলেন!  খানিকটা কি টের পেয়েছিলেন আমার ভবিতব্যও? বারবারই কোনো না কোনো  বন্দরেই তো থামবো, থেমে পড়বো –  নিরুদ্দিষ্ট হবার নামে! রক্তে এই পিচঢালা পথের বিষ আর বন্দরের তীব্র মোহ কী গভীরভাবে মিশে গেছে – মুক্তি নেই মুক্তি নেই; সত্যিই কি মুক্তি নেই কোনো?

ইলাম বিলের গল্পই তো বলছি আপনাদের – কত মানুষের কত বিনিদ্র রজনী কেটেছে এই বিলের ছায়ায়, কত মানুষের জীবন গেছে  বিল-সাপের দংশনে, কত মানুষ পথও তো হারিয়েছে! কেউ কেউ কি পথ খুঁজেও পেয়েছে? বিলের দক্ষিণ মানে তো কয়েক লক্ষ দক্ষিণের পথ, উত্তর মানে কয়েক নিযুত উত্তরের পথ, পূব মানে ‘যে দিকে উদয় রে ভানু’ – কত কত লক্ষ লক্ষ পথে এই সৌরকিরণ এসে ধরণীস্থ হয়! কিন্তু পশ্চিম! পশ্চিমের  এক রাস্তা গেছে মক্বা ও ইসরায়েলের  দিকে অন্য রাস্তাগুলো গয়া কাশি বৃন্দাবন –  আরো দূরে আরো কোথায় কোথায় যেন!

ইলামবিলের যে কোনো দিকেই একদিন সত্যি সত্যিই বেরিয়ে পড়তে পারতাম, কেউ কেউ তো ঠিকই পেরেছে! ঘোর ও নেশার ভেতর কৈশোরে  যতবার নিরুদ্দিষ্ট হতে চেয়েছি  কেউ না কেউ খুঁজে পেয়েছে, মায়ের কাছে ফেরত এনে দিয়েছে!  বেরিয়ে পড়লেও সেই তো হিমালয়ের কোনো গুহাতেই আশ্রয় নিতাম কিন্তু তার চেয়েও আরো গভীরে কোথাও –  আশ্রয় নয় – ঘুরে বেড়াতে চেয়েছি একেবারেই আশ্রয়হীন, স্বয়ং ঈশ্বরের মুঠোয়ও যার নিয়ন্ত্রণ নেই, ঈশ্বরও চেনে না এমন কোনো বনে ও পাহাড়ে!  ঈশ্বর নিয়ন্ত্রিত এই নির্মম বিশ্বে মুখস্থ সব দিন গুজরান করতে করতে  কি  রাজ্যের সব ক্লান্তি ও ক্লেদ জমেছে অগোচরে?

এই সেই ইলাম-বিল – বাড়িতে ফুট ফরমাশ খাটতেন  যে মনু মিস্ত্রী – তার মুখে শোনা –  কবে এক ঘুমধরা সন্ধ্যায় তিনি গল্প করেছেন খোড়ানো পায়ে হেঁটে এসে বাংলোঘরের বেঞ্চে বসতে বসতে, এর কিছু স্পষ্ট কিছু অস্পষ্ট মনে আছে আজ! ইলামবিলে আলোশিকারে যেতেন মনুমিস্ত্রী  তার নিজের উঠতি যৌবনে, রাত্রি গভীর হলে! আলোশিকার মানে হ্যাজাক বাতির আলোয় মাছমারার বর্শা হাতে ডিঙ্গি নৌকোয় করে বিলে বা হাওরে রাতব্যাপী মাছশিকার!

মনুমিস্ত্রী এক বিশেষ রাত্রির গল্প করছেন – আমি, ভিনগ্রাম থেকে আসা আমার বয়েসে বড় আর বেজায় ডানিপিটে খালাতো ভাই বসে শুনছি, আরো কেউ কেউও ছিলো বোধকরি, ঠিক স্মরণ করতে পারছি না।

মনুমিস্ত্রী আলোশিকারে গেছেন ঐ রাতে, রাত তিনটে অবধি তিনি চষে বেড়িয়েছেন সারা বিল, ছোট এক দুটো শৌল মাছ ছাড়া তেমন কোনো মাছের সন্ধানই পাওয়া যাচ্ছে না। দূরে ঘোড়াখানি দেওয়ের ছুটে চলার অস্ফুট শব্দ তিনি শুনতে পাচ্ছেন, চাঁদ ধীরে ঢলে পড়ছে পশ্চিম আকাশে, আর কী স্পষ্ট আকাশ – সব তারাও যেন গুনে ফেলা যায় – দূর গ্রাম থেকে কারো কান্নার শব্দ ভেসে আসছে, কালাচান্দতলায় এক নারী মূর্তি তিনি দেখতে পেয়েছিলেন গ্রামের খাল ধরে বিলে আসার পথে কিন্তু পরক্ষণেই ভেবেছেন এসবই হয়ত মনের ভুল! ফলে মাঝে মাঝেই বেশ ভয় ভয় লাগছে কিন্তু মনুমিস্ত্রী তো বিলে নতুন নয়। তার অভিজ্ঞতায় জানেন দেও দানো ভূত প্রেত সবাই আলো ভয় পায়, ডিঙ্গি নৌকার গলুইয়ে তো ঝলমল করে জ্বলছে হ্যাজাক বাতি!

সহসাই মনুমিস্ত্রী হ্যাজাকের আলোয় স্পষ্ট দেখতে পান এক বিশাল গজার ভেসে উঠেছে নৌকোর বামে, জলেভাসা কিছু কচুরিপানা ছাপিয়ে! মনু মুহূর্ত দেরি না করেই বর্শা ছুড়ে দেন গজারমাছ লক্ষ্য করে কিন্তু জল ভেদ করে বর্শা গিয়ে বিদ্ধ হয় বিলের কাদায়! গজার পরে আবারো ঘাই দিয়ে ওঠে দূরে আরো গভীর বিলের দিকে… নৌকো ধীরে বাইতে বাইতে মনু আবারো অনুসরণ করেন গজারের গতিবিধি..  আবারো বর্শা ছুড়ে দেন, লক্ষ্যভ্রষ্ট হয় আবারো, মাছ আরো গভীর বিলের দিকে যেতে থাকে যেদিকে কোনো গ্রাম নেই গাছ নেই শুধুই জল আর অস্পষ্ট চাঁদের আলো!

মনু এমন অসংখ্য গজার শিকার করেছেন নিকট অতীতেও, বলতে গেলে প্রথম চেষ্টায়ই। এত অসংখ্যবার লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়ে গ্রাম থেকে এত দূরে এত গভীরে চলে আসায় এক ধরণের ভয় ও হতাশা হয়ত তৈরি হয়। মনু ভাবেন, শুধু এক গজারের পেছনেই প্রায় সারা রাত পার হয়ে গেলো, কিছুক্ষণ পরেই হয়ত গোয়াশপুর মসজিদ থেকে ভোরের আজান ভেসে আসবে! এবার সত্যি সত্য  বাড়ি ফেরার পথ ধরবেন কিনা এমন ভাবতে ভাবতেই গজারমাছটা পাশেই এক ভাসমান জারমুনির ঝোপে ঘাই দিয়ে ওঠে! মনু বর্শা তাক করবেন ওমনি  আধো অন্ধকারে স্পষ্ট দেখতে পান গজার নয়, শাদা শাড়ির এক নারীমূর্তি জলে ঘূর্ণি তুলে ভেসে উঠছে শূন্যে..  ভয়ে শরীর হিম হতে হতে মনু শুনতে পান সঙ্গীতের মতই রিনিঝিনি শব্দ তুলে জলে ও হাওয়ায় ভেসে ভেসে  নারীমূর্তি আরো গভীর হাওরের দিকে উড়ে যাচ্ছে, ধীরে! তিনি ঘুঙুরের শব্দ ছাড়া  কোনো হাসির শব্দও শুনেছিলেন কিনা স্মরণ করতে পারেননি কিন্তু কোনো দেরি না করেই  অথবা রক্তকাটা দেয়া ভয়ে বা হয়ত  ভয় থেকে মুক্তির জন্যেও তার শেষ আয়ূধ হাতের বর্শা ছুড়ে দেন নারীমূর্তির দিকে। এরপর মনু আর কিছুই স্মরণ করতে পারেননি, বোধকরি তখুনি  সম্বিৎ হারান। ভোরে নয়, প্রায় দুপুর হয় হয় এমন সময়েই পীরগঞ্জ গ্রামের কয়েকজন চাষী তাকে সম্বিতহীন এবং তার নিজেরই বাম পা বর্শাবিদ্ধ অবস্থায় এসে আবিষ্কার করেন! এহেন প্রায় মুমূর্ষুদশা থেকে  উদ্ধার করে তারা মনুকে  হাসপাতাল পাঠান, সারা ডিঙ্গি নৌকায় তখনো নাকি ছোপ ছোপ রক্ত বইছিলো, চাষীরা পরে তা বলেছেন এবং ধীরে গ্রামে গ্রামে চাউর হয়েছে একে ঘিরে নানাবিধ সব অতিপ্রাকৃতিক উপকথাও!

মনুমিস্ত্রী এরপর আর কোনোদিন আলোশিকারে যাননি! কিন্তু দেখো কী এই জীবনখানাও বিস্ময়করভাবে উপকথা এবং উপাখ্যানের অংশ হয়ে উঠেছে!  এই যে জগতের বিবিধ বিলে ও বন্দরে হরেক রকম গজারের মোহে আরো দূর বিল ও বন্দরের দিকে ছুটতে ছুটতে, অন্য আর কাউকে নয় বরং নিজেকে, নিজেকেই বর্শাবিদ্ধ করে এবার  সত্যি সত্যি ভূমিতে লুটিয়ে কাতরে যাচ্ছি, আমাকে উদ্ধার করবে কোন পীরগঞ্জের চাষী গো!

মনুমিস্ত্রী, তুমি শুনতে পাচ্ছো?

2 thoughts on “ইলামবিলের উপাখ্যান : টি এম কায়সার

  1. ঘোড়া খানি দেওয়ের কতো কতো গল্প শুনেছি শৈশবে। আমাদের শৈশবের রক্ত হীম করা গল্পের স্মৃতিকে উস্কে দিলো এ লেখা।
    অসাধারণ।

Leave a Reply to Partho protim Cancel reply

আপনার ইমেইল প্রকাশ করা হবে না। আবশ্যক ঘরগুলো * দিয়ে চিহ্নিত করা হয়েছে