সকল পোস্ট
সব দেখুনআমার লেখা; শিরোনাম নেই : তুষার দাশ
খুব জোর দিয়ে বলতে পারিনা, "আমি গ্রামের ছেলে"। আমি জন্মেছিলাম কিন্তু প্রকৃত নির্ভেজাল গ্রামেই। ছ'মাস বয়সেই জীবিত মায়ের কোলছাড়া। মহাজন-বাড়ি ছেড়ে জমিদার-বাড়িতে দিদিমার অপরিসীম স্নেহচ্ছায়ায়। অনেকটা বড়ো, এক সমুদ্রপারের টিলা আর পাহাড়াশ্রয়ী আধা-শহরে। জীবনানন্দের রূপসী বাংলা বা বিভূতিভূষণের নানা উদ্ভিদের মায়াময় ঘ্রাণের ভেতর আমার উত্থান লতার মতো ততটা জড়ানো প্রশ্রয় হয়তো পায়নি, কিন্তু, আমি গ্রাম ভালোভাবেই দেখেছি, দু'চোখ ভরেই-- জোর দিয়েই এটা বলতে পারি। দ্বিজেন শর্মার মতো তত গাছপালা চিনি না। তবে কিছু কিছু চিনি। তো, এসবের ভেতর দিয়ে আর টানা চার বছর, চার বছর কী! না, '৭১-এর এপ্রিলের শুরুর দিক থেকে তো নিজ গ্রাম ছেড়ে কেবল গ্রামের ভেতরকার গুচ্ছ গুচ্ছ গ্রামের ভেতর দিয়ে আমাদের প্রায় মহাভারতীয় পাণ্ডবসদৃশ অজ্ঞাতবাস আর পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীর আক্রমণের মুখে সারা বাংলাদেশবাসীর মতো ক্রমাগত পলায়নপর জীবন। তো, সে সময়, আমি দেখেছি তোমাকে। পরেও দেখেছি চোখ…
আমারও একটা বিল ছিল: ফুয়াদ হাসান
আমারও একটা বিল ছিল একদিন। কোনও নামডাক ছিল না তার। কখনও সে শুকিয়ে চৌচির হয়ে যেতো, ধুলো উড়তো, কখনও হয়ে যেতো সে এক ঝিল, সাদা বকের দল এসে নামতো তার বুকে, কখনও আবার কী নিবিড় সবুজ হয়ে থাকতো, কখনও সোনালি, কখনওবা হলুদ আবার কখনও ধূসর। কোনো-কোনো দিন ভোরের কুয়াশা চুইয়ে নামতো আলের গা বেয়ে। পথিক হেঁটে যেতো বিলের আঁকাবাঁকা পথ ধরে। লোডশেডিংয়ের মতো রাত নেমে আসতো তার আঁচলে। প্রতি ঋতুতে চেহারা বদল হতো তার, নানারূপে ধরা দিতো সে আমাদের কাছে। ভোরের সেই প্রশান্তিময় বাতাস, রৌদ্রগন্ধমাখা শুনশান দুপুর, বিকেলের ছায়া ও মায়ার খেলা, সন্ধ্যার অচেনা এক বিষণ্নতা, রাতের জোনাকি মিছিল — কখনও আর ফিরে আসবে না। কস্মিনকালেও আর ফিরে পাবো না, গ্রীষ্মের হারিয়ে যাওয়া বিকেলগুলো,বর্ষায় জমে থাকা জল, প্রেমিক ব্যাঙের ডাক, হেমন্তের সোনালি রঙে ছেয়ে যাওয়া চারপাশ, দলবেঁধে ধান খেতে আসা…
সর্বাধিক পঠিত
সব দেখুনস্মৃতি এবং বিভ্রমের অ্যা বিউটিফুল মাইন্ড: জোনায়েদ রশিদ
Memoir বা স্মৃতিকথা নির্ভর ছবি চলচ্চিত্র শিল্পের একটি উল্লেখযোগ্য ধারা। বলে রাখা ভালো স্মৃতিকথা ধারার সিনেমা ঠিক বায়োগ্রাফিক্যাল নয়, দিন…
যে গ্রাম আর ফিরে আসবে না: ওমর কায়সার
আজ থেকে প্রায় ১০০ বছর আগে আমাদের দেশটা কেমন ছিল? কেমন ছিল তখনকার গ্রাম, জনপদ, সমাজ ও প্রকৃতির চিত্র। মানুষে…
নির্বাচিত পোস্ট
সব দেখুনবিলের বালক, জলের বাদ্য : রাণা রায়চৌধুরী
স্কুল জীবনে ছিপ দিয়ে মাছ ধরা আমার নেশা ও খেলা ছিল। স্কুল থেকে এসেই ছিপ নিয়ে পুকুরঘাটে দৌড়েছি - বাঁধানো…
ডুব: তিলোত্তমা বসু
আমাদের গ্রামে ছিল গানের নদী। সে নদীতে বয়ে যেত সুর । নানান রঙের । সারা দিনের সময়ের কন্ঠ থেকে নিঃসৃত…
খোয়াজ খিজির: আমার ব্যক্তিগত জলাশয়ের অধীশ্বর: সৈয়দ তারিক
শৈশবে এক মরমি ফকির এসে চুপিচুপি দিতেন মন্ত্র, সেই হতে বাজে বুকের গভীরে অচিনপুরের বাদ্যযন্ত্র ৷ তার মুখ আর…
বিনোদন
সব দেখুনছবিঘর
সব দেখুনস্মৃতিকথা
সব দেখুনশিক্ষাগুরুর পত্র : রেজাউল করিম
পৃথিবী অনেক বড়। অনেক মানুষের বাস। মানুষের মধ্যে যেমন মিল সৌহার্দের অন্বেষা, আবার অশান্তিও তো কম না। মানুষ চায় পরস্পর…
সমসাময়িক
সব দেখুনস্মৃতির হরফ: এণাক্ষী রায়
জন্মজনপদ থেকে ছিন্ন হওয়া মানুষ সারাজীবন বুকের ভেতরে বয়ে নিয়ে চলে সেই জন্মস্থান, বয়ে নিয়ে চলে শৈশব কৈশোরের নদীটিকে। যেমন নিরন্তর বয়ে চলা নদী তিস্তাকে…
জীবনধারা
সব দেখুনআনন্দশৈশব ★ সুকুমার মণ্ডল
সে এক গ্রামের বাড়ি ছিল আমাদের। মাটির গাঁথনি, কুড়ি ইঞ্চির মোটাসোটা প্রতিটি দেওয়াল। নীচে একটিই মাত্র ঘর, আর তার উপরে…
ছাতা হারিয়ে গেলে যে সর্বনাশ হয় ★ স্নিগ্ধা বাউল
আমাদের উনসংসারে পাঁচ ভাইবোনের জন্য একটা ছাতা ছিল। বিস্তৃত উঠানের এই মাথা ওই মাথায় দৌড়াদৌড়ি করে আমাদের সারাদিন কেটে যেত।…
বাতাস নড়ে গাট্টি বানো ★ শেখর দেব
'বাতাস নড়ে গাট্টি বানো' অর্থাৎ বাতাস বইছে, গাট্টি বোচকা বাঁধো। ১৯৯১খ্রি. ২৯ এপ্রিলের পর একটু জোরে বাতাস বইলে আমি এই…
ছাতার মাথা ★ সাম্য রাইয়ান
“অসমাপ্ত বর্ষামুখর দিন। পুরনো ছাতার স্মৃতিরা একে একে ভীড় করে এই ঋতুর ধারে। বৃত্তাকার চোখ নিয়ে তাকিয়ে থাকে। এইবার ছিলো…
সংস্কৃতি
সব দেখুনচলমান
সব দেখুনগুমাইবিল সম্পর্কে
বাংলা ওয়েবম্যাগাজিন একটি আধুনিক অনলাইন প্ল্যাটফর্ম, যেখানে পাঠকরা সহজেই খুঁজে পান সমসাময়িক খবর, সাহিত্য, প্রযুক্তি, বিনোদন, জীবনধারা এবং সংস্কৃতি– সব এক জায়গায়। দ্রুত আপডেট, পরিষ্কার উপস্থাপন ও সুন্দর বাংলা ভাষার ব্যবহার—এই ম্যাগাজিনকে করে তোলে সবার কাছে সমান জনপ্রিয়।




























